আজ - রবিবার
মোবাইল থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে
আজকে আমি আপনাদের মাঝে আমার দেখা একটা স্পেশাল মুভি শেয়ার করতে যাচ্ছি। মুভিটা একটু পুরনো তবে আমার জন্য অনেক স্পেশাল একটা মুভি ছিল কারণ ছোটবেলা থেকেই আমি মার্বেল সিরিজের অনেক বড় একজন ভক্ত। মার্বেল সিরিজের যে মুভিগুলো রয়েছে সবগুলো আমি দেখার চেষ্টা করি এবং বোঝার চেষ্টা করি এবং আমার সবচেয়ে ফেভারিট হিরোর নাম হচ্ছে টনি স্টার্ক যাকে আইরন ম্যান হিসেবে সবাই আখ্যায়িত করে থাকেন। আজকে আমি আপনাদের মাঝে যেই মুভিটি রিভিউ করতে যাচ্ছি সেই মুভির নাম হচ্ছে এজ অফ আল্ট্রন। এই মুভিটি আপনি যদি দেখেন সে ক্ষেত্রে আপনি এটা উপলব্ধি করতে পারবেন যে আমরা যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা ( AI) টেকনোলজি নিয়ে এত বেশি উত্তেজিত এটা যদি একবার কন্ট্রোল এর বাইরে চলে যায় তাহলে এটি কতটা ভয়ংকর হতে পারে। এই মুভিতে অনেকগুলো ক্যারেক্টার রয়েছে এবং মার্বেল সিটিজের যে কমন ক্যারেক্টারগুলো রয়েছে সেই ক্যারেক্টারগুলো এই মুভির মধ্যে আপনার দেখতে পাবেন। যাইহোক প্রথমে এই মুভি সম্পর্কে কিছু বিস্তারিত ডিটেলসে জানা যাক তাহলে আপনাদের এই মুভিটি বুঝতে আরো বেশি সহজ মনে হবে।
পরিচালক | জস ওয়েডন |
---|---|
লিখেছেন | জস ওয়েডন |
অভিনয়ে | টনি স্টার্ক, ক্যাপ্টেন আমেরিকা, এছাড়া মার্বেলের অনেকেই। |
মুক্তির তারিখ | এপ্রিল 13, 2015 ( ডলবি থিয়েটার )মে 1, 2015 (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) |
সময় | 141 মিনিট [ 1 ] |
বক্স অফিস | $1.405 বিলিয়ন |
তথ্যগুলো উইকিপিডিয়া থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে
মোবাইল থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে
যাইহোক এবার মূল কথায় আসা যাক মুভির প্রথমে আমরা একটা জাদু লাঠি দেখতে পাই যেটার ভিতরে আলো জ্বলছিল এবং সেখান থেকে টনি তার অ্যাসিস্ট্যান্ট জার্ভিসকে বলে যে এটাকে পুরো পুরি ভাবে এনালাইস করতে এবং এটিকে আরো বেশি করে জানতে। আসলে ওই যে জাদুর লাঠিটা ছিল ওই লাঠির ছিল লকির আর লোকি হচ্ছে থরের ভাই ।আপনারা যদি মার্বেল সিরিজ গুলো নিয়মিত দেখে থাকেন তাহলে হয়তোবা আমার কথাগুলো আপনারা বুঝতে পারবেন কারণ এই সিরিজের প্রত্যেকটা ক্যারেক্টার কে নিয়ে আলাদা, আলাদা একটা করে মুভি তৈরি করা হয়েছে। আপনার যদি ওগুলো একটি ,একটি করে দেখতে পারেন তাহলে হয়তোবা এটি সম্পর্কে আরো ভালো এবং বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।
মোবাইল থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে
যাই হোক মূলত আমি মেইন পয়েন্ট থেকে মুভিটির রিভিউ শুরু করেছি। যে এটিকে নিয়ে মুভির মূল কাহিনী প্রথম অবস্থায় যখন এভেঞ্জার এর টিম তাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করছিল তখন একজন জাদুকরি মেয়ে এবং তার একজন ভাই রয়েছে তাদের নামটা এই মুহূর্তে আমার শরন আসছে না তো ওদের দুইজনের মা-বাপ দুর্ঘটনাই মারা যায়। কিন্তু তারা ভাবছিল যে এটা কোন দুর্ঘটনা নয় এটি হত্যা ছিল।এটার জন্য তারা টনি স্টার্ক বা আইরন ম্যান এর উপর প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছিল। এবার মূল ঘটনায় ফিরে আসা যাক যখন জার্ভি লাঠিটা এনালাইস করছিল তখন ওখান থেকে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম সৃষ্টি হয় যার নাম হচ্ছে আল্ট্রন। এবার যখন জার্ভিস কে নিয়ে এনালাইস করছিল তখন আলট্রন জার্ভিসকে হ্যাক করে ফেলে এবং পুরো কন্ট্রোল জার্ভিস এর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়।
মোবাইল থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে
কিন্তু অন্যদিকে টনি স্টার্ক এবং তার সঙ্গীগুলো রয়েছে যেমন ক্যাপ্টেন আমেরিকা, নাতাশা, হাল্ক এরা সবাই একটা পার্টিতে মজা করছিল তখন হঠাৎ ওখানে কয়েকটা রোবট এসে হামলা করে দেয় এবং একজন রোবট বলতে থাকে যে টনি স্টার্ক নতুন করে একটা টেকনোলজি তৈরি করতে যাচ্ছে যেটা সবার থেকে আড়াল করে। আর এই বিষয়টা যখন সবাই জানতে পারে তখন এটি খুবই বাজেভাবে নেন সবাই এবং টনি কে এই জিনিসটি তৈরি করতে নিষেধ করেন। কিন্তু টনি বুঝে গিয়েছিলেন যে ভাইরাস দিয়ে যেমন ভাইরাস মারা হয় তেমনি এই আমার নতুন টেকনোলজি দিয়ে আমি আল্ট্রন কে হত্যা করব।
মোবাইল থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে
যাইহোক এক পর্যায়ে তাদের মধ্য মারামারি লেগে যায় এবং একসময় থর এসে তার হাতুরের মাধ্যমে কারেন্ট দিয়ে একটি নতুন ক্যারেক্টার তৈরি করে যার নাম হচ্ছে ভিশন। ভীশণ অনেক ভালো মনের একজন এলিয়েন ছিলেন এবং উনি মূলত আলট্রন কে মারতে চাচ্ছিল না কিন্তু তিনি এটা বলছিলেন যে যদি আলট্রন কে হত্যা করা না হয় সেক্ষেত্রে পুরো দুনিয়া ও ধ্বংস করে দিবে। পরবর্তীতে যখন আলট্রন এবং মার্বেল সিরিজের যত রকম হিরো রয়েছে সবার সাথে যুদ্ধ হয় তখন ভীষণ আলট্রন কে ইন্টারনেট থেকে আলাদা করে দেয় এবং একপর্যায়ে এই হত্যাকাণ্ড শেষ হয়ে যায় এবং আলট্রনকে পুরোপুরি ভাবে হত্যা করে ফেলে।
মোবাইল থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে
এটাই ছিল আজকের কাহিনী আপনাদের কাছে এটি কেমন লেগেছে চাইলে কমেন্টে জানাতে পারেন।আমার কাছে মোটামুটি মুভিটা খারাপ লাগেনি এই মুভিটা ২০১৩ সালের রিলিজ হলেও এখন পর্যন্ত এর টেকনোলজি অনেক বেশি উন্নত বর্তমান টেকনোলজি এর তুলনায় এটা আমার কাছে মনে হয়েছে । যাই হোক আপনাদের কাছে কেমন মনে হয়েছে চাইলে কমেন্টে জানাতে পারেন। যদি রেটিং এর কথা আসে তাহলে আমি এই মুভিটিকে ১০/৯ দিতে চাই।
এই মুভি থেকে আমি যেটা শিখতে পেরেছি যে মানুষ তার প্রয়োজনে তাগিদে এমন এমন জিনিস আবিষ্কার করতে যায় যেটা আবিষ্কার করা একেবারেই অসম্ভব কিন্তু তাদের যেই ব্যর্থতা সেটাও হয় অনেক চমৎকার। ওই ব্যর্থতা দিয়ে মানুষ অনেক কিছু আবিষ্কার করতে সক্ষম হয় এবং যারা ওমর বা চিরজীবন বাঁচবে তারা সবসময় সুখী হয় না মানুষের মধ্যেও সুন্দরভাবে জীবন যাপন করাটাই আসল সুখ।
ব্লগার | @emonv |
---|---|
ডিভাইস | camon 20 |
শ্রেণী | মুভি রিভিউ |
ডাউনলোড | লিংক |
আমার নাম মোঃ ইউনুস আলী ইমন। বর্তমানে আমি সিরাজগঞ্জ মৎস ইনস্টিটিউট এর একজন ছাত্র হিসেবে পড়াশোনা করছি। এছাড়া পরিচয় দেওয়ার মতো এখনো কিছু করে উঠতে পারেনি তবে নিজের ব্যক্তিত্ব এবং ক্যারিয়ারের উপরে কাজ চলমান......। আমি নিজেকে ভেঙে চুড়ে নতুন করে আবিষ্কার করতে অনেক পছন্দ করি এবং আমি মানুষকে সাহায্য করতে অনেক ভালোবাসি। আমি প্রায়শই নিজেকে আবিস্কার করি। কেননা এটা আমার কথায় এবং লিখাতে নতুন স্বাদ যুক্ত করে, যার ফলে আমি নিজের সবথেকে ভালো টুকু আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করতে পারি। আমি প্রতিদিন একবার নিজের সাথে কথা বলি, কারণ এটা আমার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস আরো বাড়িয়ে দেয়। আমি ভ্রমণ করতে এবং ফটোগ্রাফি করতে অনেক পছন্দ করি। আমি প্রতিনিয়ত নতুন ,নতুন মানুষদের সাথে মিশে তাদের জীবনের অভিজ্ঞতার ভালোটুকু আমার জীবনে বাস্তবায়িত করতে পছন্দ করি। আপনাকে স্বাগতম আমার সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হওয়ার জন্য। ভালোবাসা রইলো অবিরাম সবাইকে 💝।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
SET @rme as your proxy