মজাদার ডিমের ভুনা রেসিপি।

in hive-129948 •  15 days ago  (edited)

হ্যালো..!!

আমার প্রিয় বন্ধুরা,

আমি @purnima14 বাংলাদেশী,

আজ- ১৪ ই মার্চ, শুক্রবার, ২০২৫খ্রিঃ



আমি আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমি সবসময় চেষ্টা করি নিজেকে হাসি খুশি রাখার। আমি "আমার বাংলা ব্লগের" মাধ্যমে আপনাদের সামনে আমার সকল ধরনের ক্রিয়েটিভিটি তুলে ধরবো। আমি আজকে আপনাদের সাথে রেসিপি পোস্ট শেয়ার করবো। আমি মেসে থেকে লেখাপড়া করি তাই নিজের খাবার নিজেই রান্না করে খাই। যেকোনো ধরনের রেসিপি তৈরি করতে ভীষণ ভালো লাগে আমার কাছে। নিজের খাবার নিজেই তৈরি করে খাওয়ার মাঝে আলাদা শান্তি রয়েছে। আজ আমি আপনাদের সাথে ডিম ভুনা রেসিপি শেয়ার করবো।



কভার ফটো


1000031715.jpg

সুন্দর করে কভার ফটো তৈরি করে নিয়েছি।



IMG_20230322_121904_474.jpg

ক্রমিকউপকরণপরিমাণ
ডিমদুইটি
শুকনা মরিচপরিমাণমতো
ঝালের গুড়াতিন টেবিল চামচ
হলুদএক টেবিল চামচ
লবণদুই টেবিল চামচ
আলুদুইটি
পেঁয়াজপরিমাণ মতো
রসুনএকটি
জিরা বাটাপরিমাণ মতো
১০চিনিপরিমাণ মতো
১১দারচিনিপরিমাণ মতো
১২তেজপাতাপরিমাণ মতো

1000031703.jpg



উপকরণ প্রস্তুত প্রণালী :


1000031704.jpg

1000031705.jpg

প্রথমেই,
পেঁয়াজ, রসুন, শুকনো লঙ্কা এবং দারচিনি বেটে নিয়েছি। আমি এখানে দুটি ডিম ব্যবহার করেছি। ডিম দুটি সিদ্ধ করে নিয়েছি।আলু কেটে দিয়ে পরিষ্কার করে নিয়েছি। আলু এবং ডিমের লবণ হলুদ মাখিয়ে নিয়েছি।



রান্নার পদ্ধতি


ধাপ-১


1000031706.jpg

প্রথম ধাপে চুলা জ্বালিয়ে দিয়ে কড়াই বসিয়ে নিয়েছি। কড়াইয়ে সামান্য তেল গরম করে প্রথমে ডিম দুটি ভেজে নিয়েছি। তারপর একই তেলে আলু গুলো ভেজে তুলে রেখেছি।



ধাপ-২


1000031707.jpg

পরবর্তীতে করায় তেল দিয়ে তাতে তেজপাতা দিয়ে নিয়েছি। তারপর পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা এবং জিরা বাটা দিয়ে নিয়েছি।



ধাপ-৩


1000031708.jpg

মসলাগুলোকে ভাল করে তেলের মধ্যে ভেজে তাতে লবণ, হলুদ এবং ঝালের গুড়া দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিয়েছে।



ধাপ-৪


1000031709.jpg
মসলাগুলো ভালো করে কষানো হয়ে গেলে এর মধ্যে সামান্য পরিমাণে জল দিয়ে ঢাকা সাহায্যে ঢেকে দিয়েছি।



ধাপ-৫


1000031710.jpg

কিছুক্ষণ পর এর মধ্যে থাকা জল শুকিয়ে গেলে ভালো করে মসলা কষানো হয়ে গেলে এরমধ্যে ডিম এবং আলু গুলো দিয়ে নিয়েছি। এভাবে মশলার সাথে ভালো করে কষিয়ে নিয়েছি।



ধাপ-৬


1000031711.jpg
মসলার সাথে সব কষানো হয়ে গেলে এরমধ্যে পরিমাণ মতো জল দিয়ে নিয়েছি। এভাবেই বেশ কিছুক্ষণ জ্বাল করতে হবে



ধাপ-৭


1000031712.jpg
রান্নাটি প্রায় হয়ে আসলে তার আগ মুহূর্তে দারচিনির গুঁড়ো এবং সামান্য পরিমাণ দারচিনি বেটে রেখেছিলাম সেটা দিয়ে নিয়েছি। এবারে ভালো করে মিশিয়ে নাড়াচাড়া করে নিয়েছি।



ধাপ-৮


1000031713.jpg
রান্নাটি হয়ে আসলে এর মধ্যে সামান্য পরিমাণ চিনি ছিটিয়ে দিয়েছে। আমার ঠাকুমা বলতো রান্নায় চিনি দিলে স্বাদ বাড়ে।তারপর আমি চুলা বন্ধ করে নিয়েছি।



পরিবেশন


1000031714.jpg

1000031716.jpg

1000031715.jpg
পরিশেষে আমি রান্নাটি একটি বাটিতে পরিবেশন করে নিয়েছি। খেতে কিন্তু ভালোই হয়েছিলো।



পোস্টের বিবরন

পোস্ট ধরন: রেসিপি
ক্যামেরাম্যান: @purnima14
ডিভাইস: গুগল পিক্সেল ৭ প্রো
ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
লোকেশন: কুষ্টিয়া



প্রিয় বন্ধুরা,আমার আজকের ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে সবসময় পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই সুস্থ ও সুন্দর থাকবেন।



আমি কে !

Screenshot_20231102_205038_Facebook-01.jpeg

আমি পূর্ণিমা বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @purnima14। আমি আমার মাতা-পিতা এবং নিজের মাতৃভূমি ও মাতৃভাষাকে ভালবাসি। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে। আমি বর্তমানে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সিভিল টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে লেখাপড়া করছি। আমি ভ্রমণ করতে, কবিতা লিখতে ও আবৃত্তি করতে, গান শুনতে, যেকোনো ধরনের রেসিপি তৈরি করতে ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করতে অনেক পছন্দ করি। "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটিতে কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত



সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ
@purnima14



VOTE@bangla.witness as witness witness_proxy_vote.png
OR
SET @rme as your proxy
witness_vote.png

standard_Discord_Zip.gif

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  
1000031774.png1000031776.png1000031775.png

ডিম ভুনা আমার খুবই পছন্দের। আপনার রেসিপির কালার দেখে খুবই লোভনীয় লাগছে। ডিম ভুনার ঝোল অনেকটা মাংসের ঝোলের মতোই লাগছে দেখতে। স্বাদেও নিশ্চয়ই অতুলনীয় ছিল। ধন্যবাদ আপু সুস্বাদু একটা রেসিপি শেয়ার করার জন্য।

image.png

ডিম ভুনা রেসিপি বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে তৈরি করা যায়। আপনি একদম ইউনিক পদ্ধতি অবলম্বন করে মজাদার ডিমের ভুনা রেসিপি তৈরি করেছেন। আপনার তৈরি করা রেসিপি টি দেখে লোভ লেগে গেল আপু। আপনি বেশ দারুন ভাবে রেসিপি টি তৈরি করেছেন।

রেসিপিটি আসলেই মজা হয়েছিল। চমৎকার মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।

মজাদার ডিমের ভুনা রেসিপি শেয়ার করেছেন। আপনার রেসিপিটি দেখে জিভে জল চলে এলো আপু। আপনার প্রতিটি রেসিপি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। আপনি সব উপাদান পরিমাণ মতো দিয়ে মিশ্রণ করে রেসিপিটি তৈরি করেছেন। আপনার রেসিপিটি দেখে লোভনীয় লাগছে খেতে ও মনে হয় অনেক মজাদার হয়েছিল। সর্বোপরি ধন্যবাদ আপু আপনাকে এতো সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে ভাগ করে নেওয়ার জন্য।

আমার কাছেও ডিম দিয়ে তৈরি রেসিপিগুলো বেশ ভালো লাগে।। রেসিপিটি আপনার ভালো লাগে জেনে ভালো লাগলো। আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া।

মজাদার ডিমের ভুনা রেসিপি দেখে খুবই সুস্বাদু মনে হচ্ছে। এত মজা রেসিপি আপনি তৈরি করেছেন ধাপ গুলো দেখে শিখে নিলাম পরবর্তী তৈরি করব।

রেসিপিটি আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।

মজাদার ডিম ভুনা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তৈরি করা যায়, আর এটা খেতেও খুব ভালো লাগে। আমার তো যখন তেমন কিছু রান্না করতে ইচ্ছে করে না, তখন এই রেসিপিটা তৈরি করে থাকে। রেসিপিটা আমার অনেক বেশি পছন্দের। আমার কাছে তো অনেক ভালো লাগলো দেখে। বুঝতেই পারছি কতটা সুস্বাদু হয়েছিল।

অল্প সময়ের মধ্যেই তৈরি হয়ে যায়। তবে আপু মসলা বাটা না থাকলে একটু ঝামেলা হয়ে যায়। আমি যেহেতু মেসে থাকি পাটায় বেটে মসলা করতে হয়।। সেজন্য বেশ টাইম লাগে। চমৎকার মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ আপু।

বাটা মসলা রান্না করলে খেতে অনেক মজা হয়। আপনার রান্না করা ডিম ভুনা দেখেয় মনে হচ্ছে রান্নাটি খুব লোভনীয় হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।

ঠিক বলেছেন আপু, একটু বাটা মসলা দিয়ে যত্ন করে রান্না করলে রেসিপি খেতে বেশি মজা হয়। আপনাকে ধন্যবাদ।

ডিমের ভুনা রেসিপি দেখে খেতে ইচ্ছা করছে। এত সুস্বাদু আলাদা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।আপনার রেসিপির পরিবেশনটি আমার কাছে দারুন লেগেছে।

ডিম ভুনা সত্যি অনেক সুস্বাদু ও মজাদার হয় খেতে।আপনার ডুম ভুনা রেসিপিটি খুব লোভনীয় হয়েছে। খেতে অনেক সুস্বাদু এই রেসিপিটি তা জানি।কালারটি দারুণ এসেছে। ভাত বা পোলাওয়ের সাথে খেতে দারুণ লাগে এই রেসিপিটি। ধাপে ধাপে রন্ধন প্রনালী চমৎকার সুন্দর করে আমাদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে লোনীয় রেসিপি টি আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য।

এরকম ভুনা রেসিপি খেতে আমার অনেক ভালো লাগে। রেসিপিটি ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।

আপনার তৈরি করা আজকের রেসিপি টা দেখে আমার তো জিভে জল চলে আসলো। এরকম মজার মজার রেসিপি দেখলে লোভ সামলানো যায় না। ঠিক তেমনি আপনার রেসিপিটা দেখে আমার খুবই খেতে ইচ্ছে করছে। দেখে তো বুঝতেই পারছি কতটা মজাদার ছিল। রেসিপিটা সুন্দর করে শেয়ার করলেন এজন্য ধন্যবাদ।

আমারও খুব ভালো লাগে আপু রেসিপি তৈরি করতে। নিজের মত করে রেসিপি তৈরি করে খাবার মজাই আলাদা। আপনি ডিম ভুনা করলে দেখে তো বেশ লোভ লেগে গেছে। খেয়ে নিতে ইচ্ছে করছে আপু। মজার রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

মেসে থাকলে এভাবেই নিজের খাবার নিজে রান্না করে খাওয়াই ভালো। মেসের অন্যের রান্না করা খাবার অনেক সময় ভালো হয় না। যাই হোক খুব সুন্দর একটা রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু। ডিম আলু দিয়ে এভাবে কখনো ভুনা করা হয়নি। আপনার কাছে নতুন একটা রেসিপি দেখলাম। এটা নিশ্চয়ই খুবই মজা হয়েছে। সহজে এবং মজার একটা রেসিপি তৈরি করতে পেরেছেন।

এভাবে ডিম ভুনা করলে খেতে খুবই মজা লাগে। অনেকদিন হয়ে গেল ডিম ভুনা খাওয়া হয় না। অনেক মিস করছি রেসিপিটাকে।আপনার তৈরি ডিম ভুনা খেতে নিশ্চয়ই অনেক সুস্বাদু হয়েছে।লোভনীয় এই ডিমের রেসিপি আমাদের মাঝে এত সুন্দরভাবে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।

ব্যাচেলরদের ফেভরিট খাদ্য বলতে গেলে ডিম! কোনো কিছু নেই মানে ডিম ভুনা বা ডিম ভাজা করে খেয়ে ফেলা। আপনি মজাদার ডিম ভুনা করেছেন। বেশ লোভনীয় দেখেই বুঝা যাচ্ছে।

ব্যাচেলাদের রুটিনে ডিম থাকতেই হবে। ডিম ছাড়া গতি নেই। ডিমের ভাজি, ডিমের সেদ্ধ, ডিম রান্না আরো কত কি আইটেম। রেসিপিটি ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো ভাই।

সব সময় মাছ-মাংস খেতে ভালো লাগে না। আর মাঝেমধ্যে এরকম রেসিপি হলে তো খুব মজাই লাগে। আজকে আপনি ডিম ভুনা রেসিপি করেছেন। আর এধরনের রেসিপির মধ্যে পেঁয়াজ একটু বেশি দিলে খেতে বেশ মজা লাগে। মজার রেসিপিটি সুন্দর করে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন।

ওয়াও আপু আপনি অনেক মজাদার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।এরকম করে ডিম ভুনা খেতে আমার কাছেও ভীষণ ভালো লাগে।মাঝেমধ্যে এরকম করে আমরাও ডিম ভুনা রান্না করি।যাইহোক আপনার রেসিপির কালার দেখে বোঝা যাচ্ছে ভুনা টি সুস্বাদু হয়েছে। ধন্যবাদ আপু পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।

আজকে আপনার কাছ থেকে এরকম একটি রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে এটি অনেক সুস্বাদু হবে৷ যেভাবে আপনি এই রেসিপি একের পর এক ধাপে ধাপে তৈরি করার পদ্ধতি গুলো শেয়ার করেছেন তা যেরকম সুন্দর হয়েছে৷ তেমনি এখানে আপনি এটি তৈরি করার পরে শেষ পর্যন্ত যখন ডেকোরেশন শেয়ার করেছেন এটিকে অনেক সুস্বাদু হয়েছে বলে মনে হয়৷ অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য৷