ফোটোগ্রাফি পোস্ট : "কলকাতার বুকে শীতের মেলার একটি সন্ধ্যা উদযাপন"steemCreated with Sketch.

in hive-129948 •  2 years ago  (edited)

img.png


গত বছরের কথা । ২০২২ সালের নভেম্বর মাস । প্রথম সপ্তাহে কলকাতার নিউটাউনের একটি মেলায় গিয়েছিলাম সপরিবারে । মেলাটি লেকটাউনে আমাদের কমিউনিটির অ্যাডমিন স্বাগতার বাড়ির কাছেই । সে-ই আমন্ত্রণ জানিয়েছিল আমাদের মেলাতে । শীতের শুরু জাস্ট । বাতাসে শীত শীতে ভাব আছে বেশ । সন্ধ্যার কিছু পূর্বে আমি, তনুজা, টিনটিন, আমার ভাই আর স্বাগতা এই ক'জন মিলে হাজির হলাম লেকটাউন মেলা প্রাঙ্গনে ।

বিশাল মাঠ । এক পাশে বড় একটি সাংস্কৃতিক মঞ্চ বাঁধা হয়েছে । সেখানে নানা রকমের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েই চলেছে । চলবে এক মাস ধরে । এই মেলাটির ব্যাপ্তিও এক মাস ধরে । আমরা শুরুতেই স্টেজের নিকটে দাঁড়িয়ে বেশ কিছুক্ষণ কয়েকটি সঙ্গীত আর নৃত্য পরিবেশনা উপভোগ করলাম । এরপরে শুরু হলো নাটক । কিছুক্ষন নাটক দেখার পরে টিনটিন বিরক্ত বোধ করতে লাগলো । বাধ্য হয়ে এবার আমরা মেলার সারিবদ্ধ দোকানপাটের দিকে এগিয়ে গেলুম ।

প্রচুর দোকানপাট এসেছে দেখলাম । মনোহারী দোকান, পোশাক-আশাকের দোকান, বইয়ের দোকান, শাড়ির দোকান, জুয়েলারি দোকান, ফার্নিচারের দোকান, ঘর সাজানোর বাহারী জিনিসপত্রের দোকান, বাসন-কোসনের দোকান, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দোকান, বেডিংপত্রের দোকান, ইলেক্ট্রনিক্স মোটামুটি প্রায় সব কিছুরই দোকান আছে সারিবদ্ধ দিয়ে বিশাল মেলা প্রাঙ্গনে । ডেইলি কোটি টাকার উপরে কেনা বেচা চলছে ।

পুরো মেলা ঘুরে দেখতে গেলে হাতে ৫-৬ ঘন্টা টাইম থাকা লাগবে । সেটা ছিল না । মাত্র ঘন্টা দুই কাটাতে পারবো মেলায় । তাই আমরা দ্রুত ঘুরতে শুরু করলাম । মেলায় প্রচুর খাবারের দোকানও এসেছিলো । আমি বাইরের খাবার খাই না । তা সত্ত্বেও ওদের পাল্লায় পড়ে খেলুম ভেজ মোমো । বিশ্রী লাগলো । খাওয়া দাওয়ার পরে টিনটিনকে কিছুক্ষন "মেরী গো রাউন্ডে" চড়িয়ে আবার ঘোরা শুরু করলাম । মেলার প্রচুর বাচ্চাদের রাইড এসেছিলো । এ ছাড়াও ছিল বড় বড় নাগরদোলা ।

এরপরে বেশ কিছুক্ষণ কাটালাম জামা কাপড়ের দোকান ঘুরে ঘুরে । এক জায়গায় তনুজা ইমিটেশনের কিছু গয়না কিনলো । তারপরে আমরা গেলুম একটা বড় চিপসের দোকানে । হরেক মাছের চিপস কিনলাম। সেই সাথে বেশ কিছু ভেজ চিপসও নিলাম । এ গুলো কাঁচা চিপস । বাড়ি গিয়ে ভেজে খেতে হবে । সেখান থেকে গেলাম একটা শাড়ির দোকানে । একটা শাড়ি ভারী পছন্দ হলো আমার । কিন্তু, দাম শুনে চোখ কপালে উঠলো । অত টাকা কেউ সঙ্গে রাখে না । দোকানদার আমাদের আশ্বস্ত করলো - কার্ডে পেমেন্ট করা যাবে । যাই হোক শাড়ি কেনা হলো । নিচে সেই শাড়ির ছবি শেয়ার করেছি । দামটা আর বললাম না । কেউই বিশ্বাস করবেন না তাই ।

এরপরে আমরা ঘুরে ঘুরে টিনটিনবাবুর জন্য বেশ কিছু খেলনা, বই এসব কিনলাম । মেলার এক জায়গায় দেখি সুন্দর সুন্দর পোড়া মাটির ক্রোকারিজ বিক্রী হচ্ছে । সেখান থেকে একটা টী সেট কিনে ফেললুম । ছ'টি পেয়ালা, একটি টী-পট আরেকটি ট্রে । এই সেটের দাম মাত্র ১৪০০ টাকা । অনেক শস্তায় পেয়েছি বলতে হবে । জিনিসগুলো হাই কোয়ালিটির ।

এরপরেও চললো কেনাকাটা আর ঘোরাঘুরি । পুরো তিন ঘন্টা ধরে ঘুরলাম আমরা । এরপরে রাত সাড়ে আটটার কিছু পরে মেলা থেকে বেরিয়ে গেলুম । দারুন একটা শীতের সন্ধ্যা এনজয় করলাম আমরা সবাই মিলে ।


ইমিটেশন জুয়েলারির দোকানে

তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২২

সময় : সন্ধ্যা ৫ টা ৪৫ মিনিট
স্থান : লেকটাউন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


বিশাল নাগরদোলা এসেছিলো মেলায়, আর অনেক বাচ্চাদের রাইড। টিনটিন একটি রাইডে চড়েছিল।

তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২২

সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ১৫ মিনিট
স্থান : লেকটাউন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


হরেক রকমের, হরেক স্বাদের চিপসের দোকানে আমরা

তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২২

সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ২৫ মিনিট
স্থান : লেকটাউন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


মেলায় বেশ কিছু বইয়ের দোকানও এসেছিলো । আমার জন্য আর টিনটিনবাবুর জন্য বেশ কিছু বই কিনে ফেললাম ।

তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২২

সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ৩৫ মিনিট
স্থান : লেকটাউন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


হরেক আকার ও আকৃতির ও বিভিন্ন ডিজাইনের ফ্লাওয়ার ভাসের দোকান এসেছিলো । কিছু ফ্লাওয়ার ভাস ছিল পেতলের, কিছু চিনামাটির ।

তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২২

সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ৪৫ মিনিট
স্থান : লেকটাউন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


ঘর সাজানোর ভাস্কর্য । এগুলো অসম্ভব সুন্দর দেখতে । আকৃতিতে বিশাল । একটি দেওয়ালের প্রায় অর্ধেকটা জুড়ে থাকবে । দামও বিশাল । কোনওটা ৪০,০০০ এর নিচে নেই । বড় গুলোর প্রাইস ১ লাখের উপরে ।

তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২২

সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ৫৫ মিনিট
স্থান : লেকটাউন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


ঘর সাজানোর নানান শখের জিনিসের দোকান, প্লাস্টিকের হরেক রকমের খেলনার দোকান ।

তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২২

সময় : সন্ধ্যা ৭ টা ১০ মিনিট
স্থান : লেকটাউন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


পোড়া মাটির ক্রোকারিজ এর দোকান

তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২২

সময় : সন্ধ্যা ৭ টা ২৫ মিনিট
স্থান : লেকটাউন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


এই সেই বিখ্যাত শাড়ি । কিনতে গিয়ে ফতুর আমি। ...

তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২২

সময় : সন্ধ্যা ৭ টা ৫০ মিনিট
স্থান : লেকটাউন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ


------- ধন্যবাদ -------


পরিশিষ্ট


আজকের টার্গেট : ৫২০ ট্রন জমানো (Today's target : To collect 520 trx)


তারিখ : ১৩ জুন ২০২৩

টাস্ক ২৯৪ : ৫২০ ট্রন ডিপোজিট করা আমার একটি পার্সোনাল TRON HD WALLET এ যার নাম Tintin_tron


আমার ট্রন ওয়ালেট : TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx

৫২০ TRX ডিপোজিট হওয়ার ট্রানসাকশান আইডি :

TX ID : 8887a848e17174bf9a4f411afd96dac304ece6d40bfdf596619d6ad1ff9bfe95

টাস্ক ২৯৪ কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি


এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তো যে কোনো এমাউন্ট এর টিপস আনন্দের সহিত গ্রহণীয়

Account QR Code

TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx (1).png


VOTE @bangla.witness as witness

witness_proxy_vote.png

OR

SET @rme as your proxy


witness_vote.png

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

Hi @rme,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.

Come and visit Italy Community

গত বছর নভেম্বরের মেলায় গিয়ে বেশকিছু ফটোগ্রাফি আজ শেয়ার করেছেন। খুব ভালো লাগলো দাদা।এই মেলাতে রোজ এতো এতো টাকার কেনা বেচা হয়। তবে তো বেশ বিশাল ব্যাপার।আপনার মতো আমিও বাইরের খাবার খেতে পছন্দ করিনা। তবে সবার পাল্লায় পরে মাঝে মধ্যে খেতে হয় আরকি।যাক বেশকিছু জিনিসপত্র কেনাকাটা করলেন।শাড়িটি কিন্তু মন্দ নয়।খুব সুন্দর হয়েছে। মেলাটি অনেক বড়, সবটা ঘুরতে গেলে অনেক সময়ের দরকার। আপনারা ঘন্টা তিন ছিলেন। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে দারুন লাগলো দাদা।ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

গত বছরের শেষ সময়ে শীতের মৌসুমে নিউটাউনে মেলায় দারুন সময় অতিবাহিত করেছিলেন। তার স্মৃতিচারণ করলেন আসলেই শীতের মুহূর্তে এরকম সুন্দর মুহূর্ত উপভোগ করতে খুবই ভালো লাগে। দৃশ্যগুলো দেখতে পেরে অনেক ভালো লাগলো দাদা।

গত বছরের মেলায় দারুণ কিছু সময় অতিবাহিত করেছেন দেখছি দাদা ৷ সপরিবারে স্বাগতা দিদির আমন্ত্রণের মেলায় গিয়ে ঘোরাঘুরি বেশ ভালোই করেছেন তাহলে ৷ তবে এতো বড় মেলা হাতে আরো কিছু সময় থাকলে বেশ ভালোই ঘোরাঘুরি হতো আপনাদের ৷ আসলে মেলা মানেই দোকানপাট আর মানুষের ভীর ৷ মুখরোচক খাবারেরও দোকান বসে বেশ ভালোই ৷ যদিও আপনি বাইরের খাবার খান নাহ তবুও আমাদের দাদা দিদির পাল্লায় পড়ে খেতে হয়েছে ৷ যাই হোক ফটোগ্রাফি গুলো দারুণ ছিলো ৷ ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ৷

This post has been upvoted by @italygame witness curation trail


If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness




CLICK HERE 👇

Come and visit Italy Community



Thank you, friend!
I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
image.png
please click it!
image.png
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)

The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.

বাংলাতে এত ভালো কমিউনিটি এর আগে আমি দেখিনি। সকল সদস্য ও অ্যাডমিনকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। সবাই ভালো থাকবেন আর সকলের সফলতা প্রার্থনা করি।

যাই হোক শাড়ি কেনা হলো । নিচে সেই শাড়ির ছবি শেয়ার করেছি । দামটা আর বললাম না । কেউই বিশ্বাস করবেন না তাই ।

তুমি বললেই সবাই বিশ্বাস করবে দাদা। তবে দাদা শাড়িটা যেভাবে ঝুলিয়ে রেখেছে তাতে সত্যিই মনে হচ্ছে না খুব বেশি দামি। হা হা হা....

গত বছর নভেম্বর মাসে আমরাও চিন্তা করেছিলাম যে বন্ধু-বান্ধব মিলে এই মেলায় ঘুরতে যাব। তবে আমাদের বাজেট এত কম ছিল যে শেষ পর্যন্ত প্লান ক্যান্সেল করতে বাধ্য হই। তবে বাকিগুলো নরমাল মনে হলেও মাছের চিপস গুলো আমার কাছে একদমই নতুন এবং ইউনিক মনে হয়েছে। তাছাড়া ওখানকার ভেজ মোমো বা যে কোন জায়গায় মেলায় যে কোনো মোমো পাওয়া যায় ওগুলো আসলেই খেতে খুব বেশি একটা ভালো হয় না।

টিনটিন বাবু কি আর নাটক বোঝে ! একটু বিরক্ত হবে এটাই তো স্বাভাবিক। শাড়িটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক সুন্দর। মূর্তির ভাস্কর্যগুলো দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে দাদা। গতবছরের কাটানো স্মৃতিময় মুহূর্তগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।

গত বছরে নভেম্বরে মেলায় গিয়ে আপনি বেশ কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন দাদা। ফটোগ্রাফি গুলো দারুন হয়েছে। প্রতিটা ফটোগ্রাফি গুলো দেখে চোখ জুড়িয়ে গেল। দাদা শাড়িগুলো কিন্তু খুবই দেখার মত ছিল। প্রতিটা শাড়ি কালার খুবই গর্জিয়াস। যেহেতু মেলাটি অনেক বিশাল বড়। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দেখে শেষ করার অনেক সময়ের ব্যাপার। আর মধ্য দিয়ে যতটুকু পেরেছেন দেখেছেন যিনি অনেক ভালো লাগলো ধন্যবাদ দাদা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

আমি কিন্তু আবার বেশ বাইরের খাবার খাই। ২০২২ সালে মেলায় যেয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি তো দেখছি করছেন। তিন ঘন্টা ঘুরেফিরে মেলায় বেশ ভালোই কেনাকাটা করেছেন দেখছি।

অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন দাদা। আপনার তোলা প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেছি। বিশেষ করে ঘর সাজানোর ভাস্কর্য এবং পোড়ামাটির জিনিসপত্রগুলোর ফটোগ্রাফি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। চমৎকার একটি ফটোগ্রাফির পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য প্রিয় দাদা অনেক অসংখ্য ধন্যবাদ।

সকলের জ্ঞাতব্যের জন্য জানাই এই মেলাটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের থেকে আয়োজন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবছর একটি হস্তশিল্পের প্রতিযোগিতা হয় ও পরের বছরের মেলায় পুরস্কৃত হস্তশিল্পের নিদর্শনের প্রদর্শনী হয়। অনেক সময় শিল্পীরা ও সেখানে উপস্থিত থাকেন।

Muy hemosas fotos amiga Le deseo una feliz noche.

এই মেলার কিছু ঘটনা আমি পড়েছিলাম স্বাগতা দিদির পোস্টে । তাছাড়া আপনারা যে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন, তা আপনার মুহূর্ত পড়েই বুঝতে পেরেছি।

শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য ভাই।

এমন মেলায় সবাই একসাথে গেলে সত্যিই খুব ভালো লাগে দাদা। ঘুরাঘুরি করার পাশাপাশি একসাথে অনেক কিছু কেনা যায়। টিনটিন বাবু রাইডে চড়েছে এবং খেলনা কিনেছে। বৌদির শাড়িটি দেখতে বেশ সুন্দর দাদা। যদিও দাম নাকি অবাক করার মতো। পোড়া মাটির ক্রোকারিজ গুলো দেখে আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। সবগুলো ফটোগ্রাফি এককথায় দুর্দান্ত হয়েছে। সবমিলিয়ে পোস্টটি খুব ভালো লাগলো দাদা। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার পুরো পরিবারের প্রতি শুভকামনা রইল।

এসব মেলাগুলো আমাদের এখানেও নভেম্বর ডিসেম্বর মাসের দিকে হয়। শীত থাকাতে সবার ঘুরতে সুবিধা হয়। এগুলো কেনাকাটার পাশাপাশি একটি উৎসবের যায়গা। পাশাপাশি পরিবারকে নিয়ে ভাল সময় কাটানো যায়। আপনারা খুব উপভোগ করেছেন। ভাল লাগল। শেয়ার করে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

দাদা মেলার অনেক গুলো দারুন ফটোগ্রাফি দেখলাম। টিনটিন বাবুকে দেখতে পারলে আরো ভালো লাগতো। আপনি যে শাড়ি কিনতে গিয়ে ফতুর হয়ে গেছেন সেই শাড়িটা সত্যিই অনেক সুন্দর। আশা করি বৌদি অনেক খুশি হয়েছে। ধন্যবাদ দাদা।

গত বছর নভেম্বর মাসে ,লেকটাউনে অনুষ্ঠিত হওয়া মেলাটি অনেক বড় ছিল দেখছি। হরেক রকম জিনিসপত্র ,খাবার দাবার নিয়ে মেলাটি খুব জাঁকজমক ভাবে ,অনুষ্ঠিত হয়েছিল মনে হচ্ছে। তবে খাবার মনে হচ্ছে, খুব একটা ভালো ছিল না, মোমোর কথাটি শুনে বুঝলাম।" হরেক রকম মাছের চিপস" এটা মনে হচ্ছে আগে কখনো দেখিনি।

স্বাগতা দিদির ইনভাইটেশনে মেলায় ঘুরতে গিয়েছেন দেখে খুব ভালো লাগছে। মেলায় স্বাভাবিকভাবেই বাচ্চাদের জন্য বিভিন্নরকম রাইড থাকে।টিনটিনের জন্য এবং আপনার জন্যও কিছু বই কিনলেন জেনে খুশি হলাম।পোড়ামাটির জিনিসগুলো দেখতে খুব সুন্দর লাগে আমার কাছে।মাত্র ১৪০০ টাকায় চায়ের সেট পেয়ে গেলেন। যাইহোক সর্বোপরি মেলায় ভ্রমণ খুব সুন্দর ছিল।