ফুটবল খেলা দেখা উপভোগ করার মুহূর্ত।
আমার এলাকায় প্রতিবছর টিমের খেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তাই প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ১৬ টিমের খেলা ছাড়ে। তাই এই খেলাতে বিভিন্ন দল অংশ গ্রহণ করে থাকে। আর যে মাঠে খেলা হয়। সে মাঠের নাম হলো খাষশুড়িবেড় হাই স্কুল মাঠ।আজকে এই মাঠে খেলা হলো তাই আমি এবং আমার এলাকার অনেক বন্ধু মিলে এই খেলা উপভোগ করার জন্য যায়। আর আমার এক বন্ধু বললো আজকে অনেক ভালো দলের খেলা।
তাই আমি খেলাতে যাওয়ার জন্য রাজি হয়ে গেলাম।আমি ও আমার বন্ধু তখন একটা অটো ভাড়া করে নিয়ে খেলা দেখার উদ্দেশ্যে চলে যাই,সেই হাই স্কুল মাঠে। হাই স্কুল মাঠে গিয়ে দেখি লোকে লোকারণ। কারণ আজকে যে দুটি দল অংশগ্রহণ করবে তা হচ্ছে ডিগ্রী দোরতা হাই স্কুল বনাম পানা গাড়ি হাই স্কুল। আর যে দুটি দল অংশগ্রহণ করছে এই দুটি হল অনেক ভালো খেলে থাকে।
তাই দেখা যায় এই দুটি ভালো দলের খেলা দেখার জন্য অনেক লোকের ভিড় জমেছে। যেমন আমিও ফুটবল খেলা কম দেখি অর্থাৎ মাঝে মাঝে সময় পেলে ফুটবল খেলা উপভোগ করে থাকি। যেমন আজকে অনেকদিন পর বন্ধুর সাথে ফুটবল খেলা উপভোগ করলাম তা দেখে অনেক ভালো লাগলো। আমরা যাওয়ার আগেই খেলা শুরু হয়েছিল।
তাই আমি মাঠে গিয়ে একটা লোককে জিজ্ঞাসা করলাম কত কত গোল হয়েছে?তখন সে বলল খেলা মাত্র ২০ মিনিট ধরে শুরু হয়েছে। তাই কোন দলই গোল দিতে পারেনি তাই আমার খুব ভালো লাগলো যে আমরা যাওয়ার আগে খেলা শুরু হয়েছে তাও গোল হয়নি। এই কথা শুনে আমাদের খুব ভালো লাগলো। তাই আমিও আমার বন্ধু খেলা দেখা শুরু করলাম। খেলা দেখার ১০ মিনিট পরেই খেলা বিরতি দিলো।
তখন একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম খেলা ৩০ মিনিট নাকি। একজন বলল খেলা ৩০ মিনিট ৩০ মিনিট এক ঘন্টা খেলা হবে। তাই যখন খেলা বিরতি দিল তখন আমিও আমার বন্ধু মিলে দশ টাকার মুড়ি মাখা অর্ডার করলাম। তখন দোকানদার আমাদের অর্ডার মতো ১০ টাকার মুড়ি দিল। তখন মুড়ি খেয়ে দুজনে আরো ১০ টাকার বাদাম নিলাম।
এবং সাথে আরো ১০ টাকার চালতা নিলাম। তখন এগুলো নিয়ে আমরা মাঠের পাশে দাঁড়িয়ে থেকে এগুলো খেয়েছিলাম। আর বিরতি টাইম হিসেবে দশ মিনিট দিয়েছিল। তখন সেই দশ মিনিট শেষ হলে আবার পুনরায় খেলা শুরু হল। যখন খেলা শুরু হল তখন আমরা খেলা উপভোগ করা শুরু করলাম। আসলে দুই দলই অনেক ভালো খেলে থাকে।
তাই হাফ টাইম এর আগে দুই দল কোন দলই গোল করতে পারে নাই। আবার হাফ টাইমের পর দুই দলই অনেক ভালো খেলেছে হাফটাইমের পর সবচেয়ে ভালো খেলেছে ডিগ্রী দোরতা হাই স্কুল কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস খেলার রেজাল্ট ডিগ্রি দোরতা হাই স্কুল ০ এবং পানাগাড়ি হাই স্কুল ০। হাফ টাইমের পর খেলা শুরু হলে প্রায় বিশ মিনিটের মাথায় ডিগ্রী দোরতা একটা সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু ভাগ্যে কি পরিহাস সেই গোলটা বাড়ে লেগে গোলটা হয়নি।
এর মাঝে খেলার মাত্র দশ মিনিট বাকি আছে। এমন সময় দুই দলই হতাশা গ্রস্থ হয়ে যায়। তখন দুই দলই গোল করার জন্য উঠে পড়ে লাগে। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস দুই দলের আক্রমণ অনেক থাকা সত্ত্বেও তারা কোনো গোল করতে পারল না। তাই খেলার মাত্র ২ মিনিট বাকি আছে। এ সময় আমরা ভাবলাম আজকে মনে হয় কোন দলই গোল করতে পারবেনা তাই আমরা পেনাল্টি দেখার জন্য অপেক্ষা করবো।
তাই ভাগ্যের কি পরিহাস শেষমেষ দুই দলই কোন গোল করতে পারল না। এদিকে খেলা ও শেষ তাই রেফারি ও বাঁশি দিয়ে দিল। তখন আমরা সকলে প্লান্টি দেখার জন্য আমরা মাঠের ভিতরে চলে গেলাম। তখন রেফারির ডিসিশনে পাঁচ মিনিট পর পেনাল্টি শুরু হলো। তখন আমরা সবাই পেনাল্টি দেখার জন্য মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে পেলান্টি দেখি। প্রথমে পেনাল্টি হিসেবে গোলকিপার হল পানাগাড়ির ।
আর পেনাল্টি শর্ট হিসেবে শর্ট মেরেছিল ডিগ্রি দোরতার খেলোয়াড়। যেমন শর্ট মেরেছে ওই প্রথম শর্ট গোল হয়েছে। এর পর পানাগাড়ির খেলোয়াড় গোলে শর্ট করলে সেই শর্ট বাহির দিয়ে যায়। তখন ডিগ্রি দোরতা ১ গোলো এগিয়ে থাকল। এরপর আবার ২য় গোল দেয় ডিগ্রি দোরতা সেই গোলও হয়ে যায়। তাই এবার আবার পানাগাড়ির খেলোয়াড় ২য় গোল দিলে সেই গোল হয়ে যায়।
তাই রেজাল্ট হিসাবে ডিগ্রি দোরতা ২ আর পানাগাড়ি ১। ডিগ্রি দোরতা এক গোলে এগিয়ে রইল।এইবার ৩ য় গোল হিসাবে আর ডিগ্রি দোরতার খেলোয়াড় শর্ট করলে সেই গোল ও হয়ে যায় । তাই এখন ডিগ্রি দোরতা গোল সংখ্যা হলো ৩ আর পানাগাড়ি ১। এইবার ৩ য় গোল পানাগাড়ি না দিতে পারলে ডিগ্রি দোরতা জিতে যাবে। যা মনে মনে ভাবলাম তাই হলো।পানাগাড়ি ৩য় গোল শর্ট করলে সেই গোলটা গুলি ধরে ফেলে।
তাই ডিগ্রি দোরতা গোল সংখ্যা ৩ আর পানাগাড়ি গোল ১। তাই রেফারি তখন ডিগ্রি দোরতা হাই স্কুল কে জিতে দিলো।। আসলে খেলাটা দুই দল ভালো খেলেছে।কিন্তু পেলান্টিতে পানাগাড়ি হেরে গেল।তাই মন খারাপের কিছুই নেই। খেলায় হারজিত থাকবেই। তাই দুই দলকেই অভিনন্দন এত সুন্দর খেলা উপহার দেওয়ার জন্য।
Device | Name |
---|---|
Android | Redmi Note 7S |
Camera | Dual 48+5 Megapixel |
Location | Bangladesh |
Short by | @emdadul12 |