আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আজকে ভাবলাম আপনাদের সাথে কিছু বিষয় শেয়ার করা যাক। যে বিষয়গুলো নিয়ে হয়তো সচরাচর খুব একটা কথা হয় না কিংবা হলেও এই বিষয়গুলো হয়তো একটু নজরে কম আসে। তাও আমার নিজের সাথে যেহেতু খুব রিসেন্টলি একটি ঘটনা ঘটেছে। তাই ভাবলাম যে আপনাদের সাথে এই বিষয়টি নিয়ে একটু লেখালেখি করা যাক।
প্রথমে আপনাদের সাথে আমার টাইটেলটির একটু পরিচয় করাই। অর্থাৎ এখানে আসলে আমি যেটা বুঝাতে চেয়েছি। সেটা হচ্ছে, আমরা সাধারণত কম বেশি কিন্তু সকলেই মিথ্যা কথা বলি। সেটা ছোট হোক বড় হোক, প্রয়োজনের খাতিরে আমরা অনেক সময় ছোটখাটো মিথ্যা কথা বলি। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ দেখবেন। যারা অহেতুক মিথ্যা কথা বলে। আমার কাছে মনে হয় এটা বোধহয় ওদের মানসিক সমস্যা।
এটা কেনো এভাবে বলছি। তার একটা উদাহরণ কিংবা একটা খুব রিসেন্ট কাহিনী যদি আপনাদের সাথে শেয়ার করি। আপনারা তাহলে আরো ভালো করে বুঝতে পারবেন।
আমার একটা ব্যাচমেট আছে তো আমার আসলে একটা কোর্স এর এক্সাম দেওয়ার কথা ছিলো সেদিন। কারণ আমি ওই কোর্সটিতে এর আগের সেমিস্টারে খুব একটা আশানুরূপ রেজাল্ট করতে পারিনি। বলে আমি সেই কোর্সটি ইমপ্রুভমেন্ট নিয়েছিলাম। তো আমি তখন তাকে নক দেওয়াতে সে বলল যে, সে আসলে একেবারে ফার্স্ট ক্লাস পেয়েছে সেই কোর্সটিতে। তো আমি আর তার সাথে কোনো কথা বলিনি। কারণ আমার এমন একজনকে দরকার ছিলো যে সেই কোর্সটি নিয়েছিলো সেবার।যাই হোক এর পরে আমি তার কথা ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু এক্সাম দিতে গিয়ে দেখি যে আমার ঠিক এক সিট পরেই সে এক্সাম দিচ্ছে এবং আমাকে দেখে সে কিছুটা লজ্জিত ও হয়েছে।
আমার তখন এতো হাসি এসেছিলো, কি বলবো। কিন্তু পরে বাসায় এসে আসলে ব্যাপারটি যখন ভাবছিলাম। তখন মনে হলো যে, এই মানুষগুলোর হয়তো কিছুটা মানসিক সমস্যা রয়েছে। অর্থাৎ যাকে বলে সাইকোলজিক্যাল ইস্যু। কারণ তারা হয়তো অহেতুক মিথ্যে বলতেই ভালোবাসে। ব্যাপারটা এমন নয় যে, তারা কোনো বিপদে পরে মিথ্যে বলছে। অর্থাৎ আমার এমন মনে হয়েছে। তাছাড়া আমি ঠিক জানিনা আসলে ব্যাপারটি আমি সত্যিই ঠিক ধরেছি নাকি ভুল।