আসসালামু আলাইকুম,
সবাই কেমন আছেন? আসা করি আল্লাহ এর রহমতে আপনারা ভালো আছেন।
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি, আমি কিছুদিন আগে কক্স বাজার গেছিলাম পরিবারের সাথে। আজ আপনাদের সাথে তারই অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো।
আমার অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল আমি একদিন সমুদ্রের পাড়ে যাওয়ার। কিছু দিন আগে আমার এই ইচ্ছাটি পূরণ হয়েছে। আমি কিছু দিন আগে সমুদ্রের টানে এবং ইচ্ছে পূরণের জন্য কক্স বাজার গেছিলাম আমার ফ্যামিলি এর সাথে।
আমরা অনেক দিন ধরেই প্ল্যান করছিলাম যাওয়ার, আর কিছু দিন আগেই সুযোগ মেলাতে আমরা আমাদের এই সুযোগ টাকে কাজে লাগিয়ে আমার গেছিলাম।
আমরা ২৩-০৮-২০২১ তারিখে রাতে বসে বসে কবে যাওয়া যাই তার প্ল্যানিং করতে ছিলাম, আর হঠাৎ করেই ঠিক হয়ে গেলো ২৬-০৮-২০২১ তারিখ রাতেই আমরা যাবো কক্স বাজার।
যেই কথা সেই কাজ শুরু, আমরা রুম এ বসেই তখনি অনলাইন এর মাদ্ধমে আমাদের কক্স বাজারে যাওয়ার জন্য বাসের টিকিট, যে হোটেল এ আমরা থাকবো তার বুকিং করা এবং ফেরার জন্য প্লেন এর টিকিট সহ কেটে ফেললাম।
দেখতে দেখতে আমাদের কক্সবাজার ঘুরতে যাওয়ার দিন চলে আসলো। ২৬-০৮-২০২১ তারিখ রাতে আমরা আমাদের রাতের খাওয়া শেষ করে আমরা বাস এ ওঠার জন্য বস্তা থেকে বের হলাম রাত ৯ টার দিকে, তার কারণ হলো আমরা বাস এ উঠবো পান্থপথ থেকে। আর রাতে ওই দিকে ওই দিকে অনেক জ্যাম থাকে তাই আমরা আগে আগেই বের হলাম, আমরা পান্থপথে পৌছালাম রাট ১০.৩০ টায়।
আমাদের বাস এর সময় ছিল রাট ১১ টায়। আমাদের বাস ছাড়তে ছাড়তে বেজে গেলো রাট ১১.৩০ টা।
ঘুরতে যাওয়ার উত্তেজনাতে আমি ঘুরতে যাওয়ার আগের দিন রাতে ঘুমাতে না পাড়ার কারণে বাস যাত্রা শুরু করার কিছুক্ষন এর মধ্যেই আমি ঘুমিয়ে যাই, তার পরে আমার আবার ঘুম ভেঙে কুমিল্লা এর মধ্যে ঢুকে। ঘুম ভাঙার কিছুক্ষন পরে আমরা কুমিল্লাতে যাত্রা বিরতির জন্য একটি রেস্ট্রুয়েন্ট এ থামি এবং আমরা হালকা কিছু নাস্তা করি।
তার পরে আবার শুরু হলো আমাদের যাত্রা। তার পরে আবার কিছুদূর যাওয়ার পরে (আমার মনে হয় ফেনী এর মধ্যে ঢুকে) আবার আমি ঘুমিয়ে পড়ি। আবার আমার ঘুম ভেঙে যায় চিটাগং এর মধ্যে ঢুকে। তার পরে থেকে আমি র ঘুমায় নাই। প্রায় সকাল ৭ তার দিকে আমরা ঢুকলাম কক্সবাজার এর মধ্যে। আমরা যখন কক্সবাজার এর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে তখন পাহাড়ের উপরে সকালের মিষ্টি সূর্যের আলো পড়ছিলো এবং দেখতে অনেক সুন্দর লাগছিলো।
আমাদের বাস পুচালে প্রায় সকাল ৮ তার দিকে। তার পরে আমরা একটি অটো রিক্সা নিয়ে চলে আসলাম আমাদের বুক করা হোটেল এর দিকে।
এর পরে আমরা হোটেল এ যেয়ে চেক ইন করে আমাদের জিনিস পত্র রেখেছে ফ্রেস হয়ে আমরা সকালের নাস্তা করি তার পরে আমরা যাই সমুদ্র পাড়ে। সমুদ্র দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেছিলাম। তার পরে আমরা সমূদ্র থেকে দুপুরের দিকে আবার রুম এ আসি, তার পরে আমরা ড্রেস চেঞ্জ করে নিচে যাই সুইমিং পুলে। তার পরে আমরা প্রায় ১ ঘন্টা থাকি ওখানে। আবার তার পরে আমরা রুম এ এসে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খওয়ার জন্য আবার নিচে এ যাই।
এর পরে বিকেলে আমরা আবার যাই সমুদ্র পাড়ে। এবং রাতের খাওয়ার সময়ের আগে পর্যন্ত থাকি, তার পরে আমরা আবার রাতের ডিনার শেষ করে আবার সমুদ্র পাড়ে ফেরত আসি।
একই ভাবে আমাদের ২য় দিন কেটে যাই।
৩য় দিন হলো আমাদের ঢাকা ব্যাক করার দিন. এই দিন আমরা সকাল সকাল উঠে নাস্তা সেরে আমরা শেষ বারের মতো সমুদ্র পাড়ে গেলাম। তার পরে দুপুরের আগেই আমরা ওখান থেকে চোলে আসলাম তার কারণ আমাদের ফ্লাইট এর টাইম ছিল ৩টায়।
তাই আমরা এসে আমাদের ব্যাগ ঘুচিয়ে রেখে দুপুরের খাওয়া শেষ করে ফেললাম। তার পরে আমরা হোটেল এর গাড়িতে করেই এয়ারপোর্ট এ চলে আসলাম। আমাদের ফ্লাইট টি ৩০ মিনিট লেট ছিল।
প্লেন টেক অফ হওয়ার পরে আমাদের ৪৫ মিনিট লেগেছিলো ঢাকা আসতে।
এই ভ্রমণের অভিজ্ঞতা টি আমার অনেক মজার ছিল।
ধন্যব্যাদ আমার অভিজ্ঞতা টি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য।