গত পর্বের পর:
কক্সবাজার এরিয়াটা বাংলাদশের ভ্রমণপিপাসু জনগণের জন্য একটা প্রধান চিত্ত-বিনোদনের জায়গা। তাছাড়া কক্সবাজার হচ্ছে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত। কিন্তু রোহিঙ্গাদের নিত্য নৈমিত্তিক নানা অঘটনের জন্য ইতোমধ্যেই আমাদের এই পর্যটন এরিয়া হুমকির মধ্যে পড়ছে। এতে করে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে খুব শীঘ্রই বিশাল বড় একটা ধাক্কা আসবে। সবমিলিয়ে দিন দিন রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য একটা হুমকিতে পরিণত হচ্ছে।
বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের সুন্দর আশ্রয়ের জন্য দেশের দক্ষিণে মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় 'ভাসানচর' নামক জেগে ওঠা একটা চরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহায়তায় বড় আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলেছে, এটা নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার চর ঈশ্বর ইউনিয়ন এর অন্তর্গত। সেখানে প্রায় লক্ষাধিক রোহিঙ্গার জন্য ১২০ টি ব্লক তৈরি করে গুচ্ছগ্রাম গড়ে তোলা হয়েছে এবং সব মিলিয়ে সেখানে ১৪৪০ টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের ৪ তারিখে ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে কক্সবাজার থেকে নৌবাহিনীর বিশেষ জাহাজে করে ভাসানচর স্থানান্তরের মধ্য দিয়ে এখানে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন উদ্বোধন করা হয়।
এরপর বিভিন্ন সময়ে আরও কয়েক হাজার রোহিঙ্গাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের থাকা-খাওয়া ও কাজের জন্য যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়েছে, কিন্তু তারা সেখানেও থাকতে নারাজ। সুযোগ পেলেই তারা সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে ভাসানচর থেকে পালিয়ে আবারও কক্সবাজারে চলে আসছে। নৌবাহিনীর কোস্ট গার্ড বেশ কয়েকবার তাদেরকে সমুদ্র থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেছে। এভাবেই সময়ের সাথে সাথে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বহুমূখী ক্ষতির কারণ হয়ে উঠছে।
এই ছিল মোটামুটি রোহিঙ্গাদের নিয়ে ৩ পর্বের তথ্যবহুল একটা ধারাবাহিক ফিচার। আমি রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আগমন থেকে শুরু করে বর্তমানে তাদের অবস্থার পুরোটাই এই ফিচারে উল্লেখ করেছি। একটা বিশেষ কাজে মাস দুয়েক আগে আমি নিজে কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে (ক্যাম্প-৬, ৭, ৮) ভিজিট করেছিলাম। সেই ভিজিটের অভিজ্ঞতা এবং নিজের জানা তথ্য নিয়ে এই পুরো ফিচারটা তৈরি করলাম। আশাকরি এটা পড়ে আপনারা রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পেরেছেন।
খুব শীঘ্রই আবারও নতুন কোন বিষয়ের উপর লেখা নিয়ে হাজির হবো, সেই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। সবার জন্য শুভ কামনা।
অনেক ধন্যবাদ।
আপনার লিখা গুলো খুব গোছানো এবং সাবলীল ভাষার।
Downvoting a post can decrease pending rewards and make it less visible. Common reasons:
Submit
অনেক ধন্যবাদ অনিক।
Downvoting a post can decrease pending rewards and make it less visible. Common reasons:
Submit
অনেক অপেক্ষায় ছিলাম আপনার এই পোস্টটির জন্য। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া পোস্টটি করার জন্য।
Downvoting a post can decrease pending rewards and make it less visible. Common reasons:
Submit
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ দাদা।
Downvoting a post can decrease pending rewards and make it less visible. Common reasons:
Submit
অনেক কিছু জানতে পারলাম
Downvoting a post can decrease pending rewards and make it less visible. Common reasons:
Submit
ধন্যবাদ।
Downvoting a post can decrease pending rewards and make it less visible. Common reasons:
Submit